ঢাকা , সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬ , ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​তত্ত্বাবধায়কের টাকার টাকশালা যেন হাসপাতাল


আপডেট সময় : ২০২৫-১২-০৫ ২২:৪৪:০৯
​তত্ত্বাবধায়কের টাকার টাকশালা যেন হাসপাতাল ​তত্ত্বাবধায়কের টাকার টাকশালা যেন হাসপাতাল

মানিকগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি 

মানিকগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতাল টি যেন, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোঃ বাহাউদ্দীনের কাছে টাকার টাকশালা।
হাসপাতালের টিকেট কাউন্টার থেকে শুরু করে পাবলিক টয়লেট তাও মাসে ভাড়া দিয়ে টাকা তুলতে হয়।  সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, যে হাসপাতালের ভেতর প্রবেশের সাথে একটা খাবারের হোটেল আছে, সেই সাথে একটি দোকান আছে, কিন্তু তার পিছনে তিনটি পাবলিক টয়লেট আছে, তা দোকান মালিকদের কাছে ভাড়া দেও। যে টা সাধারণ মানুষের ও রুগীর আত্মীয় স্বজনরা ব্যবহারের নিয়ম,কিন্তু হাসপাতালে তত্ত্বাবধায়ক তা ভাড়া দিয়ে টাকা তুলছে। শুধু তাই নয়, টিকেট কাউন্টার তার নিয়ন্ত্রণে, সরকারি হাসপাতালে নির্ধারিত কোন নিয়ম নেই, যে প্রতিদিন এত গুলি রুগী দেখতে হবে, কিন্তু হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ একটা নির্ধারণ করে দিয়েছেন এবং ঐ নির্ধারিত সময়ে রুগীর টিকেটের টাকা হাসপাতালের নামে জমা হবে, আর বাকি টাকা তত্বাবধায়কের নামে জমা হবে। 


শুধু কি টিকেট আর পাবলিক টয়লেট। তিনি হাসপাতালে ঔষধের মাঝে সব চাইতে বড় অর্থ লুটে নিচ্ছে। প্রায় সময় হাসপাতালের ডাক্তার দের লেখা ঔষধ হাসপাতালে পাওয়া যায় না। সাধারণত হাসপাতাল থেকে যে ঔষধ দেওয়ার কথা সেই ঔষধ গুলি নেই, এই বিষয় নিয়ে নিউজ হলেও কোন ফলাফল পাওয়া যায় নাই। 
হাসপাতালে তত্বাবধায়ক ডাঃ মোঃ বাহাউদ্দীন দ্বায়িত্ব গ্রহণ করে সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী জাহিদ মালেকের পিয়ের হাত ধরে ২৫ -০৫ -২০২২ ইং সালে তখন থেকে হাসপাতালের ঔষধ সংরক্ষণ ও পরিবেশন দুটি বিষয় নানা প্রশ্ন উঠলেও, কোন ফলাফল পাওয়া যায় নাই, এর পর বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন হওয়ার পরেও তিনি হাসপাতালে কর্মরত আছে। অথচ ২০২৪ সালে ছাত্র আন্দোলনের সময় তিনি তেমন চিকিৎসা সেবা নিতে পারেনি বা তাদের দেয় নি। 


বর্তমানে হাসপাতালের দুর্নীতি মহানায়ক তত্বাবধায়ক  ডাঃ মোঃ বাহাউদ্দীন এতো অবৈধ টাকার মালিক যে তার টাকার কাছে সব মাথা নতো হচ্ছে। হাসপাতালের এতো লুটপাট করে খাচ্ছে তা লেখে  শেষ করা জাবে না। তার বিরুদ্ধে কেউ নিউজ করলে বা করতে গেলে তাকে মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত করছে। তেমন মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব মানিকগঞ্জ জেলা শাখার ৯ জন সাংবাদিক। 
মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়কে হাত এত বড়," মিথ্যা কে সত্য বলে চালিয়ে দেয়, "কারণ তার বেতন থেকে, মাসিক অবৈধ টাকা আয় ভালো, আর ঐ টাকা দিয়ে সব কিনে নিয়ে যায়। 

সাধারণ মানুষ যেখানে সেবা নিতে এসে সেবা পায় না। বাহাউদ্দীনে মত লোক থাকার কারণে।সেখানে হাসপাতাল রেখে কি হবে সাধারণ জনগণের কথা। দুর্নীতি ডাঃ মোঃ বাহাউদ্দীনের বিরুদ্ধে সরকার কি পদক্ষেপ গ্রহণ করে তা দেখার বিষয়।

নিউজটি আপডেট করেছেন : lifestyledesign847@gmail.com

কমেন্ট বক্স

প্রতিবেদকের তথ্য

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ